বাস চাপায় শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় ‘নিরাপদ সড়ক’র দাবিতে রাজপথে নামে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা। আর তাতেই স্থবির হয়ে পড়ে রাজধানী ঢাকা। ছবি: এপিশিক্ষার্থীরা শনিবার রাজপথের ছবি। ছবি: এপিসরকারের সমালোচনা করায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে গ্রেফতার করা হয় আলোকচিত্রী শহিদুল আলমকে। তিনি সংবাদ মাধ্যম আল জাজিরা’য় আন্দোলনের পক্ষে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন। ছবি: আইইবিক্ষোভ মিছিলে স্লোগান দিচ্ছে শিক্ষার্থীরা। ছবি: রয়টার্সআন্দোলনকারীদের উপর পুলিশি আক্রমন। এসময় পুলিশ টিয়ারে শেল ও রাবার বুলেট ছোড়ে। শিক্ষার্থীরা অপরিণত বয়সের হওয়ায় যা মানবাধিকার লঙ্ঘন। ছবি: রয়টার্সপুলিশ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা ও ইস্টওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলন দমন করতে টিয়ার শেল ও রাবার বুলেট ব্যবহার করে। ছবি: রয়টার্সশিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ এবং তাতে সর্বস্তরের মানুষের সমর্থন সরকারের জন্য কঠিন সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কেননা, সামনেই নির্বাচন। ছবি: এপিশিক্ষার্থীরা আরও কঠিন শাস্তি দাবি তুলছে। যদিও পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের খসড়া অনুমোদন হয়েছে। ছবি: রয়টার্সবাংলাদেশের প্রধান বাহন বাস। কিন্তু আন্দোলনকালীন সময়ে অন্যায়ভাবে বাস বন্ধ রাখে মালিকরা। ছবি: এপিশিক্ষার্থীরা ঘরে ফিরে না গেলে ‘কঠিন’ হওয়ার ঘোষণা দেয় সরকার। ছবি: রয়টার্সশিক্ষার্থীদের উপর হামলায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। ছবি: এপিনৌপরিবহন মন্ত্রী শাহজাহান খানের বিতর্কিত বক্তব্য এবং অমানবিক হাসি শিক্ষার্থীদের ক্ষুব্ধ করে তোলে। ছবি: এপিসপ্তাহ জুড়ে শিক্ষার্থীরা গাড়ির লাইসেন্স, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও ট্রাফিক আইনের উপর জোর দিয়ে আন্দোলন চালিয়েছে। ছবি: এপি