সুইডেন ০-২ ইংল্যান্ড
ম্যাকগোয়ার ৩০’
আলী ৫৮’
• দুই দলের মধ্যে এটি ছিল ২৫ তম ম্যাচ। ইংল্যান্ড জিতেছিল আটটি এবং সুইডেন সাতটি।
• ২০০২ এবং ২০০৬ বিশ্বকাপে দু’ দলের মধ্যকার ম্যাচই শেষ হয়েছিল ১-১ গোলে।
• এর আগে আটটি কোয়ার্টার থেকে মাত্র দুবারই পরের পর্বে জেতে পেরেছিল ইংল্যান্ড। প্রথমবার ১৯৬৬ সালে এবং সর্বশেষ ১৯৯০ সালে।
‘৯০ বিশ্বকাপের পর অবশেষে সেমির স্বাদ পেতে যাচ্ছে সাউথগেটের ইংল্যান্ড। সামার অ্যারিনায় ম্যাকগোয়ার এবং ডেল আলীর দুই গোলে সুইডেনকে হারিয়ে শেষ চার নিশ্চিত করল ‘৬৬ সালের চ্যাম্পিয়নরা।
অ্যাশলি ইংয়ের কর্ণার থেকে হেড করে ৩০ মিনিটের মাথায় ইংল্যান্ডকে এগিয়ে নেন ম্যাকগোয়ার। প্রথমার্ধে স্টার্লিং গোলের সহজ দুটি সুযোগ মিস না করলে বেশ বড় লিড নিয়েই বিরতিতে যেতে পারত ইংল্যান্ড। বিস্তর সমালোচনার পরেও স্টার্লিংয়ে আস্থা রাখা সাউথগেটের বোধয় সময় এসেছে এ সিটি তারকাকে নিয়ে নতুন করে ভাবার।
বিরতির পর সুইডেনকে আরো ভাল করে চেপে ধরে ইংলিশরা। কিন্তু সুইডিশ রক্ষণের তৎপরতায় বাড়ছিল না লিড। ক্রমাগত চাপ এরপর আর সামাল দিতে পারেননি বার্গ-ওলসেনরা। ৫৮ মিনিটে লিনগার্ডের ক্রসে মাথা ছুঁইয়ে ২-০ লিড নিশ্চিত করেন ডেল আলী।
এরপর গোলের জন্য মরিয়া সুইডেন একের পর এক চেষ্টা চালাতে থাকে গোলের জন্য। বেশ কটি ভাল সুযোগ পেলেও কলম্বিয়ার বিপক্ষে কোয়ার্টার জেতানোর নায়ক পিকফোর্ডকে ফাঁকি দিতে পারেনি কেউ। এ গোলরক্ষক একের পর অসাধারণ কিছু সেভ করে অক্ষত রাখেন ইংল্যান্ডের জাল, সেই সাথে নিশ্চিত করেন সেমিও। অসাধারণ নৈপুণ্য দেখিয়ে ম্যান অফ দ্য ম্যাচও হয়েছেন তিনি।
বহু বছর ধরেই বড় টুর্নামেন্টগুলোতে হতাশ হয়েই ফিরেছে ইংল্যান্ড। এবার আক্রমণে কেন এবং বারের নিচে পিকফোর্ডের অসাধারণ ফর্ম বড় কিছুরই আশা দেখাচ্ছে ইংলিশদের। দেখার বিষয় সাউথগেটের ইংল্যান্ড নতুন ইতিহাস লিখতে পারে নাকি ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে আরো একবার শূন্য হাতেই ফেরে।
ম্যাচসেরা : জর্দান পিকফোর্ড (ইংল্যান্ড)