চীন অবশেষে প্রেসিডেন্টের মেয়াদসীমা অবলুপ্ত করে দিয়েছে। ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসে ভোটাভুটির মাধ্যমে এ সংক্রান্ত একটি বিল পাস হয়। বর্তমান প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ওই প্রস্তাবের পক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট পড়ে। রবিববার দেশটির কংগ্রেসে ২ হাজার ৯৬৩ সদস্যের মধ্যে ২ হাজার ৯৫৮ জনই ওই মেয়াদসীমা অবলুপ্তকরণের পক্ষে ভোট প্রদান করেন। তিন সদস্য ভোটদানে বিরত থাকেন এবং এর বিরুদ্ধে ভোট দেন দুই সদস্য। খবর বিবিসির।
গণপরিষদের ওই রায়ের পর বর্তমান প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সামনে দীর্ঘদিন বা আজীবন ক্ষমতায় থাকতে আর কোনাে বাধা রইলাে না। প্রেসিডেন্ট পদের মেয়াদ নিয়ে ১৪ বছর পর সংবিধান সংশোধনীর ওই আয়োজন করা হয়। ১৯৮২ সালে দেন জিওপিংয়ের সময় বর্তমান সংবিধান প্রণয়ন করা হয়। ১৯৫৪ সালে চীনের সংবিধান প্রণয়ন করা হয়। দেশটির সংবিধানে এ নিয়ে মোট পাঁচবার সংশোধনী চালানো হলো।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, চীনকে গোটা বিশ্বের কাছে একটি পরাশক্তি হিসেবে তুলে ধরতেই শি কেন্দ্রীয় চালকের ভূমিকা নিয়েছেন। মাও জে দংয়ের পর শি জিনপিংকে চীনের দ্বিতীয় ক্ষমতাধর নেতা হিসেবেও বলা হচ্ছে। বৈশ্বিক অর্থনীতি ও পরাশক্তিতে চীনের অবস্থান পোক্ত করার পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে ভিন্নমতাবলম্বীদের দমনের অভিযোগও রয়েছে।